Add 05

Tuesday, November 26, 2024

চট্টগ্রামে আদালতে সংঘর্ষ ও আইনজীবী নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৭


চট্টগ্রামে আদালতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও আইনজীবী নিহতের ঘটনায় ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর নগরীর কোতোয়ালী, পাথরঘাটা, বান্ডেল কলোনীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী।

আটককৃতদের বর্তমানে কোতোয়ালী থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র রইছ উদ্দিন। উপ–পুলিশ কমিশনার রইছ উদ্দিন জানান, যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটককৃতদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কার ভূমিকা কী ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি। 

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। আদালত ভবনের মূল ফটকের সামনে রঙ্গম সিনেমা হল–সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে পুলিশের ১০ সদস্যসহ আহত হন অন্তত ৩৭ জন।

এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করা হয়। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজন ভ্যানে তোলা হলে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁর অনুসারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ, বিজিবি লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তখনই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে বেলা তিনটার দিকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ও আইনজীবীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের প্রতিবাদে আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সাইফুলের ওপর হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহতের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ সকাল থেকে আদালত বর্জন কর্মসূচী পালন করছে আইনজীবীরা। সাইফুল ইসলাম আলিফ সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) ছিলেন।


Monday, November 18, 2024

১, ২ ও ৫ টাকা কয়েন লেনদেনে নতুন নির্দেশনা


তফসিলি ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা বা কয়েন সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিছু ব্যাংকের শাখা নির্দিষ্ট পরিমাণ ধাতব মুদ্রা শুধু ভল্টে সংরক্ষণ করলেও জনসাধারণের চাহিদা মোতাবেক লেনদেন করছে না। ফলে চাহিদা থাকলেও ব্যাংক থেকে ধাতব মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারছে না জনসাধারণ। এর ফলে কয়েন নিয়ে এমন নির্দেশনা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্টের (ডিসিএম) এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেশ কিছু তফসিলি ব্যাংকের শাখা নির্দিষ্ট পরিমাণ ধাতব মুদ্রা শুধু ভল্টে সংরক্ষণ করলেও জনসাধারণের চাহিদা মোতাবেক লেনদেন করছে না। যার ফলে ধাতব মুদ্রার চাহিদা থাকলেও জনসাধারণ তফসিলি ব্যাংক থেকে ধাতব মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে জনসাধারণের দৈনন্দিন স্বাভাবিক লেনদেনের স্বার্থে দেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ন্যূনতম নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাতব মুদ্রা বা কয়েন সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হলো।

নির্দেশনা মতে, জনসাধারণের চাহিদা মোতাবেক ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। লেনদেন স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা সংরক্ষণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেধে দেওয়া সংখ্যা মানতে হবে। ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় ও ফিডিং শাখায় ১ টাকার কয়েন ২৪ হাজার পিস, ২ টাকার কয়েন ২৪ হাজার পিস ও ৫ টাকার কয়েন ন্যূনতম ১৫ হাজার পিস রাখতে হবে।

এছাড়া অন্যান্য প্রতিটি শাখায় ১ টাকার কয়েন ৮ হাজার পিস, ২ টাকার কয়েন ৮ হাজার পিস ও ৫ টাকার কয়েন ন্যূনতম ৫ হাজার পিস রাখতে হবে। প্রতিটি উপ-শাখায় ১ টাকার কয়েন ২ হাজার পিস, ২ টাকার কয়েন ২ হাজার পিস ও ৫ টাকার কয়েন ন্যূনতম ১ হাজার পিস রাখতে হবে। তবে লেনদেনের ফলে ধাতব মুদ্রার স্থিতি হ্রাস পেলে স্থিতি ন্যূনতম সংখ্যা থেকে হ্রাস পেলে জনসাধারণ, ফিডিং শাখা ও প্রয়োজনে কাছের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করতে পারবে।


Sunday, November 17, 2024

রাসূল (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারতে নতুন নির্দেশনা


মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সমাধি পবিত্র রওজা শরিফ জিয়ারতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে এখন থেকে মমহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারতের জন্য আগাম অনুমতি নিতে হবে। সেই সঙ্গে বছরে একবারের বেশি রওজা শরিফ পরিদর্শন করা যাবে না।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সউদী সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এক্স পোস্টে এ তথ্য জানায়।

পোস্টে বলা হয়েছে, এখন থেকে অনুমতি ছাড়া রওজা শরিফে প্রবেশ করা যাবে না। অতিরিক্ত ভিড় কমাতে এবং অনিয়ম বন্ধ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বছরে একবারের বেশি রওজা শরিফ পরিদর্শন করা যাবে না। পাশাপাশি পরিদর্শনের জন্য অপেক্ষার সময় কমিয়ে এক ঘণ্টা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সউদী সরকারের হিসাবে চলতি বছর এক কোটির বেশি মুসলিম রওজা জিয়ারত করেছেন, যা গত বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি।

Saturday, November 16, 2024

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সমুদ্র যোগাযোগ চালুতে উদ্বিগ্ন ভারত


 ১৯৭১ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তানি পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ভারত। গতকাল শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইনে করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগে ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোতে সম্ভাব্য অস্থিরতা তৈরির কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। কারণ, ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় সেভেন সিস্টার্স বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছাকাছি।

ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের প্রধান দুই বন্দর চট্টগ্রাম ও মংলায় পাকিস্তান কোনো জায়গা পায়নি। সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মাধ্যমে দুদেশের বাণিজ্য হতো। তবে এখন পাকিস্তানি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে। ফলে পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ অস্ত্র আসতে পারে। যেগুলো সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে যেতেও পারে। যেমন ২০০৪ সালে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা এক হাজার ৫০০ চাইনিজ অস্ত্র ট্রলারে করে আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল উলফার জন্য পাঠিয়েছিল। তবে সেগুলোর উলফার হাতে যাওয়ার আগেই জব্দ করা হয়।

Friday, November 15, 2024

মা হত্যার ঘটনায় ছেলে জড়িত নয়, পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এলো আসল ঘটনা

 


বগুড়ার দুপচাঁচিয়া এলাকায় গৃহবধূ উম্মে সালমার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের জন্য নিহতের ছেলে নয়, বরং বাসার ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তার দায়ী।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে দুপচাঁচিয়া থানার পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় বাসা থেকে খোয়া যাওয়া মোবাইল এবং ওয়াইফাই রাউটারের সূত্র ধরে মাবিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মাবিয়া স্বীকার করেন যে, চার মাস আগে উম্মে সালমার বাসা ভাড়া নিয়ে মাদক ও অনৈতিক কাজ চালাচ্ছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে সালমা তাকে বাসা ছাড়ার নির্দেশ দেন, আর এর পরই মাবিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে দুই সহযোগী মুসলিম ও সুমন চন্দ্র সরকারকে নিয়ে উম্মে সালমাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ফ্রিজে রেখে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে রোববার (১০ নভেম্বর) দুপচাঁচিয়ায় ‘আজিজয়া মঞ্জিল’ বাড়িতে খুন হন উম্মে সালমা। প্রথমে নিহতের ছোট ছেলে সাদ বিন আজিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। র‌্যাব জানিয়েছিল, সাদ মায়ের খুন করেছে হাত খরচের টাকার জন্য এবং মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রেখেছিল।

আগামী ৭ ডিসেম্বর সসমাবেশের ডাক দিয়েছে মাওলানা সাদপন্থিরা।


আগামী ৭ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদপন্থিরা। আজ শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।

আজ শুক্রবার সকাল থেকেই সাদপন্থিরা মসজিদ এলাকায় আসতে শুরু করে। আস্তে আস্তে তাদের জমায়েত বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে প্রধান সড়ক পার হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ছাড়িয়ে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।

জানা গেছে, তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব শুরুর পর থেকে বিগত সাত বছর ধরে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে কাকরাইল মসজিদে অবস্থানের ক্ষেত্রে জুবায়েরপন্থিরা চার সপ্তাহ ও সাদপন্থিরা দুই সপ্তাহ করে পর্যায়ক্রমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যদিও বিগত সরকারের এমন বৈষম্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে আসছিল সাদপন্থিরা। এবার পুরো কাকরাইল মসজিদ সবসময়ের জন্য অবৈধভাবে দখল করে আজ শুক্রবার থেকেই অবস্থান করতে চান জুবায়েরপন্থিরা। গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাদ অনুসারীরা এসব কথা জানান।

সাদ অনুসারীরা আরও জানান,  কাকরাইল মসজিদের একটি অংশে এমনিতেই জুবায়েরপন্থিরা সারা বছর মাদ্রাসার নামে আলাদা অবস্থান নিয়ে থাকেন। কিন্তু জুবায়েরপন্থিরা সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে কাকরাইল মসজিদ স্থায়ীভাবে দখল নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা করছেন তারা।

Tuesday, November 12, 2024

‘উই আর নাহিদ’ হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গেছে ফেসবুক, কারণ কী?


 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন নাহিদ ইসলাম। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর শপথ নেয়া অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা তিনি। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন নাহিদ। গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দিবাগত রাত থেকে তাকে নিয়ে #WeAreNahid হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গেছে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রিফাত রশিদ, মো. আবু বাকের মজুমদার, আবদুল কাদের, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আব্দুল হান্নান মাসউদ, নাট্য নির্মাতা, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিকেয়টসহ আনেকে এটি ব্যবহার করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

জানা গেছে, নাহিদ ইসলামকে নিয়ে কে বা কারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সেই অপপ্রচার রুখে দিতে তার পাশে দাঁড়াতেই সবাই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফি লিখেছেন, 'ডিবি অফিসে পেছন সাইট লাল নাহিদ ভাইয়েরই হয়েছিল। ডিবি হারুনের বানানো স্ক্রিপ্ট প্যান্ট পরেও পড়তে পারেনি সে। লুঙ্গি পরে পেপার হাঁটুর ওপরে রেখে বানানো স্ক্রিপ্ট পড়েছিল নাহিদ ইসলাম।'

এক ফেসবুক পোস্টে আকরাম হোসাইন রাজ ‘উই আর নাহিদ’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লিখেছেন, ‘সরাসরি সম্মুখে উচ্চস্বরে ‘সব শালারা বাটপার’ বলার স্বাধীনতা আনার জন্যই নাহিদরা বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের নাহিদ ইসলাম ভাই।’

জনপ্রিয় নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশিদ বান্নাহও ‘উই আর নাহিদ’ হ্যাশট্যাগে পোস্ট দিয়েছেন।

#WeAreNahid_Asif হ্যাশট্যাগ লিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘আজকে দেখছি নীতিহীন একটা মানুষ টকশোতে গিয়ে গলাবাজি করে গেলেন। উনি বা ওনাদের বিষয়ে আমি মাসুদ কথা বলা শুরু করলে ল্যাংটা হয়ে যাবেন। বিপ্লব কেমনে হয়েছে আমি আব্দুল হান্নান মাসউদ, আব্দুল কাদের, রিফাত রশিদ আর মাহিন সরকারের চেয়ে ভালো কেউ ব্যাখ্যা করতে পারবে না।’

তিনি আরও লিখেন, ‘নাহিদ ভাই, আসিফ ভাইকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করবেন? এই নাহিদ ভাই, আসিফ ভাইয়ের ১৬, ১৭ জুলাই থেকে শুরু করে ২৫ তারিখ আটক হওয়ার আগ পর্যন্ত ঐতিহাসিক ভূমিকাই পরবর্তীতে বিপ্লবে আমাদের পথনির্দেশনা দিয়েছে। আটকাবস্থা থেকে বেরিয়ে যে নেতৃত্ব ওনারা দিয়েছেন, তার ফলাফলস্বরূপ আজকে আপনাদের এসব গলাবাজি। আমরা কথা বলা শুরু করলে তখন মুখ চেপে ধরতে আইসেন না৷ পরিষদের ইতিহাসও জানানো হবে।’

আন্দোলনের সময় নির্যাতনের স্বীকার হওয়া নাহিদের ছবি পোস্ট করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লা লিখেছেন, ‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের অবস্থা এমনই ছিল। যারা হাসিনার পুনর্বাসন প্রকল্পকে সমর্থন করে তারা দেশকে সেই একই পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনবে, যেমন- রক্তপাত, জোরপূর্বক গুম, হত্যা এবং আরও অনেক কিছু। হাসিনা শাসনের পুনর্বাসনকে সমর্থন করলে শেষ পর্যন্ত একই বিধ্বংসী পরিণতি ঘটবে। ফ্যাসিস্ট বিরোধী বাংলাদেশ নাহিদ। আমরা নাহিদ। জুলাই ৩৬, ২০২৪।’

সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) মহাপরিচালক পদের নিয়োগপত্রে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সুপারিশসহ সই করা ছবি ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিষয়টি অসত্য এবং আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ১৫ অক্টোবরের নিয়োগ ২২ অক্টোবরই বাতিল করা হয়েছিল। সুপারিশকৃত গোপন নথির ছবি যারা পেয়ে যায় তাদের কাছে বাতিলকৃত প্রকাশ্য নোটিশটি অজানা থাকার কথা না। তারপরও যেকোনো মূল্যে অসত্য প্রচার করে বিতর্কিত করাটা এই সময়ের রাজনীতি।

তিনি আরও লিখেছেন, মূলত আওয়ামী বিরোধী ও আন্দোলনের পক্ষের একটি গ্রুপ এই ব্যক্তির সুপারিশ করেছিল। পরবর্তীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা উনার একাডেমিক এক্সেলেন্সি দেখে এনআইবি পদে নিয়োগ দেন। কিন্তু ঐ ব্যক্তির রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড জানার পরে সঙ্গে সঙ্গেই উনার নিয়োগ বাতিল করা হয়। গত মাসের ঘটনা। বাতিল করার ঘোষণাটিও সকলে অবগত আছেন।

এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) চলমান হল আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে নাহিদ ইসলামকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘সব শালারা বাটপার, আর্মি হবে ঠিকাদার’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে সচিবালয়ের সামনে ছিলেন উপদেষ্টা নাহিদ।

শিক্ষার্থীরা জানান, এই স্লোগান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই দিয়ে আসছিলেন। মূলত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে এই স্লোগান দেয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ্য করে নয়। তারা জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চান তাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন হোক। এ জন্যই ‘আর্মি হবে ঠিকাদার’ বলা হয়েছে।


Monday, November 11, 2024

নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল নামার আশঙ্কা


মিয়ানমারের রাখাইনে দুর্ভিক্ষের আভাস দিয়েছে জাতিসংঘ। এতে বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো অঞ্চলে। এতে নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকাকে সর্তক হতে বলছেন বিশ্লেষকেরা। এ জন্য জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক জোটের ওপর চাপ বাড়াতে তাগিদ দেওয়া কথা বলছেন তাঁরা।

জাতিসংঘ শঙ্কা জানিয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইনে চরম দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাখাইনে বীজ ও সার সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি না বদলালে মার্চ-এপ্রিল নাগাদ, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ৮০ শতাংশ কম হতে পারে। এতে ২০ লাখের বেশি মানুষ অনাহারে ভুগতে পারে।

এমন অবস্থায় নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা দেখছে ঢাকা। এরই মধ্যে নেপিদোকে উদ্বেগও জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এখন আর মানবিক হওয়ার সুযোগ নেই।  

রোহিঙ্গা ঢল নামার আশঙ্কা করে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, ‘যদি নতুন করে একটা ইনফ্লাক্স (মানুষের ঢল) হয়, সে ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা যে পক্ষেরই থেকে থাকুক না কেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেটি মোকাবিলার জন্য কিন্তু আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও আরেকটি নতুন সংকট তৈরি হতে পারে। আঞ্চলিকভাবেও সেটার একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে।’  

আন্তর্জাতিক সর্ম্পক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘কোনো দেশে যদি ফ্যামিন (দুর্ভিক্ষ) হয়ে থাকে তাহলে, সেটি সেই দেশের রীতিমতো দায়িত্ব। সেই হিসেবে যারা মিয়ানমার সরকারের সাথে সম্পর্ক রাখেন, ব্যবসা বাণিজ্য করেন, তাদের এটা বড় দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।’

বিপর্যয় মোকাবিলায় ঢাকাকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। বলছেন, মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক সর্ম্পক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘বড় একটা সুযোগও কিন্তু তৈরি হয় মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি, যারা মূলত আরাকানের শতকরা ৭০ ভাগের মতো ক্ষমতা তাদেরই হাতে বলা হয়, তাদের সাথেও নেগোসিয়েশনে বসা।’

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, ‘কূটনৈতিক আলাপ আলোচনা অথ্যাৎ বহুমূখী আলোচনা যেমন জাতিসংঘে একটা, নিউইয়র্ক জেনেভায় একটা। রোহিঙ্গা বিষয়ে দুটো দিক থেকে আসিয়ানকে উদ্বুদ্ধ করা যায়।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সুনির্দিষ্ট উপায় বের করতে যোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।


জনগণকে মুখ্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের


 জনগণকে মুখ্য রেখে কর্মকর্তাদের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

গতকাল সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দায়িত্বভার গ্রহন শেষে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সময় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের (সচিবের রুটিন দায়িত্বে) অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. নজরুল ইসলাম।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণকারী উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা এ হাসান আরিফ বলেন, এটা কোন রুটিন সরকার নয়, বিপ্লবী সরকার। আমাদের মূল দাবি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবাই অংশগ্রহণ করেছিল, তেমনি ২০২৪ সালের আন্দোলন শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক ছিল না। এর ধাক্কা লেগেছে সমস্ত দেশে। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সবার ভূয়সী প্রশংসা করেন হাসান। সবাই কাজের ব্যাপারে বেশ দক্ষ ও আন্তরিক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ । সিনিয়রদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হবে যা ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই মন্ত্রণালয়ের কাজে জনসম্পৃক্ততা বেশি, জনকল্যাণে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস জনগণ। জনকল্যাণে কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে চাই।

উল্লেখ্য, অন্তর্র্বতীকালীন সরকারে নতুন উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ ও উপদেষ্টাদের মাঝে দপ্তর পুর্নবণ্টন করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দায়িত্বে ছিলেন।


বঙ্গভবন থেকে মুজিবের ছবি সরালেন মাহফুজ


ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর দেশের দায়িত্ব নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সরকার পতনের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বঙ্গভবন থেকে সরানো হয়নি শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে অনেক দিন আগে থেকেই।

এবার শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ছবি সরিয়ে ফেলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদ্য নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

গতকাল তিনিসহ তিনজন নতুন উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথগ্রহণের পর দিনই শেখ মুজিবের ছবি বঙ্গভবন থেকে সরিয়ে ফেলেছেন তিনি। কেন এই ছবি সরিয়েছেন, তার ব্যাখ্যাও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে তুলে ধরেছেন।

মাহফুজ তার পোস্টে লিখেছেন, ‘দরবার হল থেকে শেখ মুজিবুর রহমান-পোস্ট ‘৭১’ ফ্যাসিস্টের ছবি সরানো হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে আমরা ৫ আগস্টের পর বঙ্গভবন থেকে তার ছবি সরাতে পারিনি। যার জন্য ক্ষমা-প্রার্থী। কিন্তু, মানুষের মধ্যে জুলাইয়ের চেতনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত তাকে কোথাও দেখা যাবে না।’

এই উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ মুজিব এবং তার কন্যা বাংলাদেশের জনগণের সাথে যা করেছেন তা আওয়ামী লীগকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। অগণতান্ত্রিক ‘৭২’-এর সংবিধান থেকে শুরু করে দুর্ভিক্ষ, কোটি টাকা পাচার এবং হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধীদের বিচার-বহির্ভূত হত্যা (৭২-৭৫, ২০০৯-২০২৪)। তাহলে, আমরা ‘৭১-এর আগের শেখ মুজিবের কথা বলতে পারি। ক্ষমা ও ফ্যাসিস্টদের বিচার ছাড়া কোনো ধরনের সংলাপ হবে না।’

Saturday, November 9, 2024

ড. ইউনূসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ

 ড. ইউনূস, আসিফ নজরুল, নাহিদ ইসলাম ও সারজিস আলম। ছবি

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে এই অভিযোগ করা হয়।

লন্ডনে অবস্থানরত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী এ অভিযোগ দায়ের করেন। গত ৫-৮ আগস্ট পর্যন্ত ‘বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের নামে’ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ এবং বাংলাদেশ পুলিশের ওপর ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ’ সংগঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।
ড. ইউনূস ছাড়াও ৬২ অভিযুক্তের মধ্যে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পাট ও বস্ত্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম রয়েছে।

এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান, হাসিব আল ইসলাম ও আবু বকর মজুমদারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই অভিযোগে প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার তথ্য ও নথিপত্র প্রমাণস্বরূপ যুক্ত করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ারুজ্জাম চৌধুরী বলেন, আমার মনে হয় আমিই প্রথম (অভিযোগ) শুরু করলাম। প্রায় ১৫ হাজার ভিক্টিম আছেন যারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করবেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে সরকার পতনের পর লাপাত্তা হন সিলেটের তৎকালীন মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। পরে জানা যায় তিনি লন্ডনে পালিয়ে গেছেন।

চট্টগ্রামে আদালতে সংঘর্ষ ও আইনজীবী নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৭

চট্টগ্রামে আদালতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও আইনজীবী নিহতের ঘটনায় ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর নগরীর কোতোয়ালী, পাথরঘাটা, ব...